• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ভারুয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন ভারুয়াখালী ইউনিয়নকে প্রস্তাবিত সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে মতবিনিময় সভা সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্তি: উপেক্ষিত ভারুয়াখালী ৫৪ বছরেও শেষ হয়নি নাকশালা থেকে কালিদাসের রাস্তার নির্মাণ কাজ কবি ঝিনুক জোবাইদার কাব্যগ্রন্হ ‘কিছু তার আমি হই কিছু তার আমি নই’ অধরা যে অর্ধেক আরাধনার আঁধার -ইবনে আলতাফ প্রার্থনায় তুমি: হৃদয় রাজ শরাবনতহুরা প্রসব প্রহরের অপেক্ষায়;তবু প্রজাপতি বোধে পড়ুক ফুল চন্দন। পরীমনির সঙ্গে সম্পর্ক: চাকরি হারালেন সেই পুলিশ কর্মকর্তা সাকলায়েন চট্টগ্রামের সন্তান মুখতার আলম সিকদারের হাতের লেখায় সাজে কাবার গিলাফ

সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্তি: উপেক্ষিত ভারুয়াখালী

প্রতিবেদক / ৫৯ বার
আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মুহাম্মদ শেফা উদ্দিন

কক্সবাজার জেলা শহর বা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে খুরুশকুলের উপর দিয়ে ভারুয়াখালী ইউনিয়নের দুরত্ব মাত্র ৮.৫ কিলোমিটার। ভারুয়াখালী -খুরুশকূল সংযোগ সেতু নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এ সেতু চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হলে ভারুয়াখালীর জনসাধারণ এ পথ দিয়েই জেলা শহরে যাতায়াত করবে। এত নিকটে হয়েও ভারুয়াখালী অধিকৃত কক্সবাজার সিটি করপোরেশনের তালিকায় নেই! এ সংবাদ আমাদের জন্য যেমন দুঃখের তেমন হতাশারও।

গুগল অনুসন্ধানে জানা যায় সিটি করপোরেশনের অধিকৃত স্থানে যেসব এলাকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে তাদের দুরত্ব রামু উপজেলা খুনিয়া পালং ১৬ কিলোমিটার, দক্ষিণ হিমছড়ি চেইন্দা ১৫ কিলোমিটার, উমখালী ১৪ কিলোমিটার, মিড়াছড়ি ১৩ কিলোমিটার। সদরের খুরুলিয়া ১২ কিলোমিটার। সদরে হলেও জেলা শহর থেকে পিএমখালী ইউনিয়নের ধাওনখালী, মুহিসানিয়া পাড়া, পাতলীসহ আরও কিছু এলাকা ভারুয়াখালী থেকে দূরে।

কৃষি জমির অজুহাতে ভারুয়াখালীকে সিটি করপোরেশন থেকে বাদ দেয়ার সুযোগ নেই। বর্তমানে লবণকে, শিল্প হিসেবেই গণ্য করা হচ্ছে সেক্ষেত্রে ভারুয়াখালীতে কৃষি জায়গা নেই বললেই চলে। লবণকেও যদি কৃষির আওয়াতায় নেওয়া হয় তবু অন্যান্য অধিকৃত এলাকা থেকেও ভারুয়াখালীতে কৃষি জায়গা কম। ভারুয়াখালী-খুরুশকূলের মাঝের নদীকে যদি সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভূক্তির বাধা ধরা হয় তাও সম্পূর্ণ অযুক্তিক! এ নদীতে একটি সেতু নির্মাণ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে আরেকটি একেবারে শেষ পর্যায়ে। এ সেতু দিয়ে খুরুশকুলের উপর দিয়ে মাত্র ১৫ মিনিট ব্যবধানে কক্সবাজার শহরে পৌঁছা যাবে।
শহরের খুব নিকটে জঞ্জালমুক্ত হওয়ায় ভারুয়াখালীকে সিটি করপোরেশনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে গড়ে তুলা অন্যান্য অধিকৃত এলাকার চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও উপযুক্ত হবে।

শিক্ষা-দীক্ষায়, সচেতনতায়, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনে অধিকৃত কয়েকটি ইউনিয়ন থেকেও ভারুয়াখালী ইউনিয়ন বেশ ভালো অবস্থানে। ভারুয়াখালীর সচেতন জনসাধারণ ইতিমধ্যে মাননীয় এমপি জনাব লুৎফর রহমান কাজল, জনাবা শামিম আরা স্বপ্না এমপি ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে ভারুয়াখালীকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভূক্তির জন্য আবেদন দেওয়া হয়েছে।
এ আবেদন শুধু সচেতন মানুষের নয় পুরো ভারুয়াখালীর জনসাধারণের। এমতাবস্থায় ভারুয়াখালী ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশন থেকে বাদ দেওয়া শুধু বৈষম্য নয় চরম অন্যায়ও। ভারুয়াখালী ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত না করায় আমরা ঘোরতর আপত্তি জানাচ্ছি।
অচিরেই ভারুয়াখালীকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোরালো দাবি জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও