• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

যে কারণে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকেও মৃত্যুদণ্ড দিলেন আদালত

প্রতিবেদক / ৮২ বার
আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

দেশ সকাল ডেস্ক:
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় এই রায় ঘোষণা করা হলো।
রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় দেন। সকাল ১১টায় রায় পাঠ শুরু করে প্রায় ৪০ মিনিট পর আদালত দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, আসামি সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

আদালত আরও উল্লেখ করেন, ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় স্বপ্না আক্তারকেও একই অপরাধে দায়ী সাব্যস্ত করা হয়েছে। সাক্ষ্য-প্রমাণে দেখা যায়, ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও স্বপ্না ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা রাখেননি।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, উপস্থাপিত সাক্ষ্য, আলামত এবং জবানবন্দির ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার। পরে আদালত ৭ জুন রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।

গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন দুই আসামি। ১ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারকাজ শুরু হয়। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় ঘোষণা করা হলো।

আদালতের এই রায় শিশু নির্যাতন ও নারী-শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও